উৎসবকে কেন্দ্র করে খাদি পোশাকে আনতে হবে ভিন্নতা

পোশাক দেখে মানুষের বৈশিষ্ট্য অনেকটা জানা যায়। যেমন ঃ ধুতি – পাঞ্জাবীর মাধ্যমে আমরা নির্দিষ্ট একটি শ্রেণীর মানুষকে চিহ্নিত করতে পারি আবার পাঞ্জাবী – পাগড়ি পরা দেখলে আরেক শ্রেণীর মানুষের বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করতে পারি। আগেকার সময় এমন বৈশিষ্ট্য থাকলেও বর্তমানে সবাই প্রায় এক ধরনের পোশাকি ব্যবহার করে থাকে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসব বৈশিষ্ট্য আবার ফুঁটে উঠে। যেমন ঃ বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে।
উদাহরণ দিলে আমরা দূর্গা পূজার কথা বলতে পারি আবার ইদের কথাও উল্লেখ করতে পারি। দূর্গা পূজার সময় অনেকেই ধর্মীয় রীতি অনুসরণ করে পোশাক পরিধান করে থাকেন তাই এ সময় ধুতি – পাঞ্জাবীর চাহিদা বেড়ে যায় আবার ইদ আসলে মুসলমানদের পোশাকেও তা প্রকাশ পায়। আবার খৃষ্টান ধর্মালম্বীরা তাদের উৎসবে তাদের ধর্মীয় রীতি অনুসারে পোশাক পরে থাকেন। ঠিক তেমনিভাবে বৌদ্ধরা।
কাজেই উৎসবকে কেন্দ্র করে পোশাকে ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। যেহেতু খাদি উপমহাদেশের মানুষের মনে আলাদা যায়গা দখল করে আছে তাই খাদির ব্যবহার সব সময় লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে দূর্গা পূজাকে উদ্দেশ্য করে খাদি পোশাকে আসে বৈচিত্র্য। তাই আগামী পূজার উৎসবে কেন্দ্র করে খাদি পোশাক তৈরিতে উদ্যোক্তাদের মন দিতে হবে।