প্রতি বছর আমাদের দেশে ইদের সময় পোশাকের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। কারন ইদ উপলক্ষে কম-বেশি সবাই নতুন পোশাক কিনে থাকেন। হতে পারে তা নিজের জন্য, পরিবারের সদস্যদের জন্য বা আত্বিয় অথবা বন্ধু-বান্ধবদের উপহার দেয়ার জন্য। এ বছর এপ্রিলের শেষের দিকে ইদ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কাজেই হাতে আর বেশি সময় বাকি নেই। কারন রোজা চলে আসলেই বা তার আগে থেকেই ক্রেতারা ইদের পোশাক কিনতে শুরু করেন। তাই ইদের খাদি পোশাক নিয়ে এখন থেকেই কাজ শুরু করতে হবে। কি ধরনের পোশাক ক্রেতার পছন্দ বা এখন কোন ডিজাইনের পোশাকের চাহিদা রয়েছে। এসব কিছু চিন্তা করেই এখন থেকে ইদের খাদি পোশাক নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে। পরিকল্পিতভাবে কাজ শুরু করলে আগে থেকেই ইদের পোশাক নিয়ে ক্রেতাকে জানানো সহজ হবে। ক্রেতাও তার পছন্দের পোশাকটি দেখে কিনতে পারবে। এছাড়া গত বছর ইদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার আরও গুছিয়ে কাজ করতে হবে। যেহেতু আমরা অনলাইন উদ্যোক্তা তাই আমাদের জন্য ডেলিভারিও অনেক বড় একটা বিষয়। তাই এখন থেকেই ইদের খাদি পোশাক নিয়ে কাজ করা উচিৎ।
Similar Posts
বিদেশে বাংলাদেশি খাদির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে পারে প্রবাসী ক্রেতারা।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনেক বাংলাদেশি রয়েছেন যারা সেখানে বসবাস করছে। কেউ স্থায়ীভাবে আবার কেউ বা কাজের জন্য বা পড়াশোনার জন্য। বিভিন্ন দেশে বাঙালী কমিউনিটি রয়েছে যারা বিদেশে বসবাসরত বাঙালীদের নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। এ সময় পোশাক হিসেবে তারা দেশীয় খাদি কাপড়কে বেছে নিতে পারে। বিশেষ করে শীত প্রধান দেশগুলোতে হাতে বুনা খাদি কাপড়ের…
অনলাইন উদ্যোক্তাদের দক্ষতা খাদি পণ্যের প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে রাজিব স্যার সব সময় বলেন ই-কমার্স শিক্ষিত লোকের ইন্ডাস্ট্রি। এখানে যে যত দক্ষ হবে সেই টিকে থাকবে। ২০১৯ সাল থেকে উদ্যোক্তাদের দেশি পন্য নিয়ে কাজ করতে স্যার সব সময় উৎসাহ দিয়ে আসছেন এবং সেই সাথে স্কিল ডেভেলপমেন্টের কথা বলছেন। কারন একজন উদ্যোক্তা যত দক্ষ হবে ততই…
হাতে তৈরি খাদির উপকারীতা তুলে ধরতে হবে আশা আপুর গ্রীণ বিজনেস নিয়ে একটি পোস্টের পরে সবাই এখন এই বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গ্রুপে আলোচনা করছে। সাধারণ কথায় গ্রীণ বিজনেস হচ্ছে পরিবেশ বান্ধব ব্যবসায়ীক কার্যক্রম পরিচালনা করা অর্থাৎ ব্যবসার উৎপাদনের জন্য পরিবেশ যেন দূষিত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা। বর্তমানে সারা বিশ্বে জলবায়ুর পরিবর্তন রুখতে পরিবেশ বান্ধব…
খাদির ওয়েস্টার্ন ড্রেস নিয়ে কাজ করতে হবে।
আমাদের পাশের দেশ ভারতের কথা যদি বলে সেখানে খাদির বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার পেছনে একটি কারন হচ্ছে তারা সময়ের সাথে সাথে খাদিতে পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। সেখানকার কালচারের সাথে আমাদের অনেক কিছু অমিল থাকলেও কিছু কিছু মিল রয়েছে। যেমনঃ পোশাকের কথা যদি বলি তাহলে তারাও আমাদের মতো শাড়ি, পাঞ্জাবী, থ্রি – পিস, কুর্তি ইত্যাদি পরে থাকে।…
বাংলাদেশের খাদি নিয়ে ডকুমেন্টারি তৈরি করতে হবে খাদি এই উপমহাদেশের ঐতিহ্য হলেও দেশ ভাগের পর তা নিজ নিজ দেশের স্বকীয়তায় প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে। যেমন ঃ ভারতের খাদির কথা যদি বলি তাহলে তারা খাদিকে জাতীয় পর্যায়ে ব্যবহার করে থাকে এবং মহাত্মা গান্ধী যে উদ্দেশ্য খাদিকে জনপ্রিয় করে তুলেছিল সেই বিষয়টাকে তারা এখনও সেভাবে ধরে রেখেছে অর্থাৎ…
বাংলাদেশের খাদির ভিন্নতা তুলে ধরতে হবে।
আমরা জানি খাদি তৎকালীন ভারতবর্ষের একটি পণ্য ছিল। অর্থাৎ সে সময় ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য নিজ দেশীয় পণ্যের ব্যবহার হয়ে উঠেছিল আন্দলোনের ভাষা। সেই থেকে মোটা কাপড় হিসেবে খাদির ব্যবহার শুরু হয় সর্বত্র। অর্থাৎ নিজ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিদেশি পণ্য বর্জন এবং দেশি পণ্যের ব্যবহার নিশ্চিত করে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করা। ভারতবর্ষ ব্রিটিশদের হাত…
